বিকেবি স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হল স্কুলগামী শিশুদের এবং তাদের অভিভাবকদের ব্যাংকিং ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে একটি বিশেষ ধরনের ব্যাংকিং যা শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয়ের অভ্যাস করতে সাহায্য করে। স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হল একটি সঞ্চয়ী আমানত অ্যাকাউন্ট যা শিক্ষার্থীর নামসহ শিরোনাম হয় এবং অভিভাবকের স্বাক্ষরের সাথে যৌথভাবে পরিচালিত হয় যিনি অ্যাকাউন্টের নমিনী হতে পারেন।
বাংলাদেশে স্কুল ব্যাংকিং এর নিয়ম–কানুনঃ
স্কুল ব্যাংকিং সংক্রান্ত নিয়ম ও প্রবিধান বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ব্যাংকিং এবং সিএসআর বিভাগের অধীনে ২৮শে অক্টোবর, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই অধ্যাদেশের প্রধান উপাদানঃ
১. অ্যাকাউন্ট খোলা: ০৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রযোজ্য হবে।
২. অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থাপনা: অ্যাকাউন্টটি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বা অভিভাবকদের দ্বারা পরিচালিত হবে।
৩. ফর্ম পূরণ করা: শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উভয়েরই ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং আইনগত অভিভাবকদের স্বাক্ষর থাকতে হবে।
৪. হিসাবের ধরন: এটি একটি সঞ্চয়ী হিসাব। নতুন সঞ্চয় প্রকল্প খুলতে সঞ্চয় স্থানান্তর করা যেতে পারে।
৫. ন্যূনতম খোলার ব্যালেন্স: প্রাথমিক জমা অন্তত ১০০ টাকা।
৬. জাতীয়তা: ছাত্র এবং অভিভাবক/ আইনী অভিভাবক উভয়ই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
৭. অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নথি: জন্ম সনদ, একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং ট্রান্সক্রিপ্টের অনুলিপি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
৮. অ্যাকাউন্ট হোল্ডার আয়ের উৎস: জমা করা টাকার উৎসের বৈধতা সম্পর্কিত সমস্যাটি নিশ্চিত হওয়া উচিত।
৯. সার্ভিস চার্জ/ ফি: শুধুমাত্র এই ধরনের অ্যাকাউন্টে সরকারি ফি ব্যবহার করা হবে।
১০. বৃত্তি/ উপবৃত্তির টাকা জমা: শিক্ষার্থীরা বৃত্তি বা উপবৃত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ তাদের অ্যাকাউন্টে জমা করতে পারবে কিন্তু ব্যাংক এবং সরকারী/আধা-সরকারী/ স্বাধীন বা বেসরকারি সংস্থার মধ্যে একটি চুক্তি থাকবে।
১১. শিক্ষা বীমা: শিক্ষার্থীরা এই অ্যাকাউন্টের অধীনে শিক্ষা বীমা সুবিধা পাবে যদি তাদের পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তাদের শিক্ষা ব্যাহত হয়।